

গরম কম্বল আর চার দেয়ালের উষ্ণতায় তুমি হয়তো খুব আরামেই দিন কাটাচ্ছ।
কিন্তু তোমার বাড়ির আশপাশে যে গরিব, অসহায় মানুষগুলো আছো তাদের খোঁজখবর কতটুকু রেখেছ? তাদের পাশে দাঁড়িয়ে কতটুকু সাহায্য করেছ?
প্রতি বছর শীতকাল আমাদের মাঝে আসে। আবার চলেও যায়। কিন্তু কষ্ট থেকে যায় অসহায় ও দুঃখী মানুষের। এই সময়ে শীতের তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়। গত কয়েকদিন ধরে আমরা সবাই তার বাস্তব প্রমাণ দেখতে পাচ্ছি। সূর্য যেন রাগ করে লুকিয়ে গেছে মাঝেমধ্যে একটু দেখা যায়, তাও বেশিক্ষণ নয়।
রাত আর ভোরের শীত প্রতিনিয়তই যেন আরও কঠিন হয়ে উঠছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের চেয়ে উত্তরাঞ্চলে শীতের তীব্রতা তিন-চার গুণ বেশি। এখন পুরোদমে চলছে শীতকাল। নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগও বাড়তে শুরু করেছে।
গরম কাপড়ের অভাবে অসহায় মানুষগুলো রাতে ঘুমাতে পারে না।এমন পরিস্থিতিতে যারা গরিব, অসহায়, ছিন্নমূল তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তোমার পুরোনো জামা-কাপড়, যেগুলো হয়তো তোমার আর কোনো কাজেই লাগছে না সেসব জামা-কাপড়ই এখন হয়তো একজন রাস্তার মানুষের জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।
সমাজের উঁচুস্তরের মানুষজন যদি তাদের পাশে দাঁড়িয়ে একটু মমতার দৃষ্টি দেয়, তাহলে তারা একটু আরামে ঘুমাতে পারবে।তাদের প্রতি একটু সদয় হই। এছাড়াও বিশেষভাবে খেয়াল রাখা উচিত
বাড়ির আশপাশের বয়স্ক মানুষদের, ছোট ছোট শিশুদের এবং পথে-ঘাটে থাকা প্রাণীদেরও। তারা যেন ঠান্ডা থেকে একটু নিরাপদে থাকতে পারে এই দিকটাও আমাদের দেখা উচিত।
আসো, এই তীব্র শীতে একটু উষ্ণতা ছড়াই। কারণ কারও জন্য একটি কম্বল অথবা একটি গরম জামা কিংবা শুধু একটু খোঁজখবর নেওয়াও হয়ে উঠতে পারে জীবন বাঁচানোর একটা ছোট্ট, কিন্তু অসম্ভব মূল্যবান পদক্ষেপ।
লেখাঃ সালমান হোসেন