

‘লাল সবুজ সোসাইটি’, এ নামেই যেন প্রকাশ পায় দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়। ২০১০ সালের ছোট একটা উদ্যোগের ফল বর্তমানের এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যেটি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন তৃণমূল কার্যক্রম, সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন, কর্মশালা, প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে অন্তত দুই লক্ষ মানুষের সাথে তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করেছে। ‘এংগেজিং ইয়ুথ ফর পজিটিভ চেঞ্জ’ স্লোগানকে সামনে রেখে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়নের অন্তত ৭ টি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে এ সংগঠনটি।
লাল সবুজ সোসাইটির যাত্রা ও বর্তমান
যুব নেতৃত্ব ও দক্ষতা উন্নয়ন, মানসিক স্বাস্থ্য, নাগরিক অধিকার, গণমাধ্যম, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, শিশু সুরক্ষা, নারী ক্ষমতায়ন বিষয়ক নানা কাজে শত শত কর্মসূচি করা এ সংগঠনটির যাত্রা হয়েছিল একজন তরুণের হাত ধরে। তাহসীন উদ্দীন, যার ছোট্ট উদ্যোগ বদলে দিয়েছে, মসৃণ করেছে হাজারো যুব ও তরুণের পথচলা। ২০১০ সালে ‘লাল সবুজ’ নামে বরিশাল থেকে প্রকাশিত মাসিক শিশুতোষ পত্রিকার মাধ্যমে লাল সবুজ সোসাইটির বীজ বপণ হয়। ধীরে ধীরে এ মাসিক পত্রিকায় যুক্ত হতে থাকে স্থানীয় শিশু ও তরুণেরা। তাদের সম্মিলিত চিন্তা ও সৃজনশীল কাজ এবং প্রত্যয়ে সামাজিক চিন্তা ও দায়বদ্ধতার কথা ভাবিয়ে তোলে সবাইকে। ধীরে ধীরে মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করতে শুরু করে উদ্যমী তরুণেরা। যুক্ত হতে থাকে দেশের নানা প্রান্তের শিশু ও তরুণ। স্বপ্ন দেখে বড় কিছু করে সমাজ, কমিউনিটি ও দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের। তাদের এ স্বপ্নকে সাজিয়ে তুলতে ২০১৫ সালে ‘লাল সবুজ ফাউন্ডেশন’ নামে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয় সংগঠনটি, যা পরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধনও পায়। ২০১৯ সালের সংগঠনটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধন পায় লাল সবুজ সোসাইটি নামে। যে মাসিক পত্রিকা তাহসীন সেদিন গড়েছিল, সেই মাসিক পত্রিকা বহু সংখ্যা পেরিয়ে আজ ডিজিটাল যুগে! ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এখন দৈনিক খবর সরবরাহ তার সম্পাদিত ‘লাল সবুজ প্রকাশ’ এবং তার লাল সবুজ সোসাইটি আজ দেশের গন্ডি পেরিয়ে পৌঁছে গেছে ভিনদেশে। বর্তমানে দেশের ৩৫ জেলায় আড়াই হাজারের অধিক তরুণদের সরাসরি যুক্ত করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং নেপালের কাঠমুন্ডুতেও রয়েছে একটি দল এছাড়াও মালয়েশিয়াতেও নেতৃত্ব গঠন করে দল তৈরির প্রাথমিক কাজ কাজ সম্পন্ন করেছে সংগঠনটি। এছাড়াও অফিস স্টাফ হিসেবে ঢাকা ও বরিশালে কর্মরত রয়েছে ১৮ জন।
উল্লেখযোগ্য কাজ
রাজধানী ঢাকা, বরিশাল, রংপুর, খুলনা বিভাগসহ অন্যান্য জেলার প্রায় আড়াই হাজারের অধিক স্বেচ্ছাসেবী তরুণ ও অফিস স্টাফদের নিয়ে এ সংগঠনের নানা উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে। এর মধ্যে_
তরুণ নেতৃত্ব
দেশের ৩৫ জেলার হাজারো তৃণমূল তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব গঠনে নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালন করে আসছে লাল সবুজ সোসাইটি। তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে শত শত কর্মসূচির আয়োজন করে এ গুণাবলি অর্জনে সহায়তা করছে তারা। ‘লার্ন টু লিড’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে শত শত তরুণকে দক্ষ করে গড়ে তুলছে এ সংগঠন।
গণমাধ্যম কর্মসূচি
তরুণদের গণমাধ্যমের প্রতি আগ্রহী, মিডিয়া লিটারেসি ও ফ্যাক্ট চেকিং এবং সরাসরি সংবাদপত্রের সাথে যুক্ত করে সাংবাদিকতাভিত্তিক নানা কাজ করে আসছে এ সংগঠনটি। সংগঠনটি বর্তমানে ‘লাল সবুজ প্রকাশ’ নামে একটি দৈনিক অনলাইন পোর্টাল পরিচালনা করে আসছে। এছাড়া ইয়ুথ জার্নালিস্ট ট্রেইনিং, খুদে লেখক কর্মশালা, জেন-জি বুটক্যাম্পসহ নানা প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করেছে।
মানসিক স্বাস্থ্য
লাল সবুজ সোসাইটি বিশ্বাস করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে তরুণের ভূমিকা অপরিসীম। তরুণদের একটা বড় অংশই অনেক সময় মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকে। এ সমস্যার সমাধানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের ওয়ার্কশপ, সেশন, ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে যেখানে বিষন্নতা, উদ্বেগ, আত্মহত্যা প্রতিরোধ, সহানুভূতিশীল যোগাযোগ ও সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে আলোচনা ও পরামর্শ দেয়া হয়। এ নিয়ে ইউর সাইকোলোজিস্ট, মেন্টাল হেলথ ইয়ুথ এডভোকেট, মেন্টাল হেলথ ম্যাটার্স, মেন্টাল হেলথ বুথ, মন কি বলেসহ নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করেছে এ সংগঠনটি। এছাড়াও নিয়মিতভাবেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন কন্টেন্টও প্রচার করে তারা।
জলবায়ু পরিবর্তন
লাল সবুজ সোসাইটির প্রতিটি তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বাস করে এবং এ নিয়ে ইতিবাচক কাজ করে থাকে। সবুজ বনায়ন, সবুজ-স্বচ্ছ ও দূষণমূক্ত পরিবেশ করতে লাল সবুজ সোসাইটির আন্দোলন দীর্ঘদিনের। প্রকৃতিকে ইকো ফ্রেন্ডলি হিসেবে গড়ে তুলতে তারা নানা সময়ে অগণিত ইনিশিয়েটিভ গ্রহণ করেছ। ইকো ফ্রেন্ডলি ট্যুরিজম, জলবায়ু আন্দোলন, প্লাস্টিক মার্কেট, ট্রি প্লান্টেশন ড্রাইভ, টিচ ফর টিচার্স, টেকসই কৃষি, ক্লিন আপ অ্যাওয়ারনেস, ক্লাইমেট টক, ক্লাইমেট চেঞ্জ ওয়ার্কশন, ক্লাইমেট চেঞ্জ স্কুল সেশনস, চিলড্রেনস ক্লাইমেট সামিট, চিলড্রেন ক্লাইমেট ক্লাবসহ নানা ধরনের উদ্যোগ করেছে এ সংগঠনটি।
শিশু সুরক্ষা
শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছে লাল সবুজ সোসাইটি। সমাজে লাখ লাখ শিশু নানাভাবে সহিংসতার শিকার হয় প্রতিনিয়তই। শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার আদায়ে এ সংগঠন ‘গুড টাচ এন্ড ব্যাড টাচ সেশন’, বাল্যবিবাহে রোধে সচেতনতামুলক সেশন, শিশু অধিকার বাস্তবায়নে সচেতনতা সৃষ্টি করতে নানারকমের কর্মশালার আয়োজন করে আসছে এ সংগঠন।
নাগরিক অধিকার, স্যানিটাইজেশন
নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছে লাল সবুজ সোসাইটি। নাগরিক অধিকার রক্ষা ও নিশ্চিতে নাগরিকদের নানাবিধ করণীয় সম্পর্কে সচেতন হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা সভা, টাউনহল সভা, মিডিয়া একশন, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করে যাচ্ছে। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও নিশ্চিতে ভূমিকা রেখেছে লাল সবুজ সোসাইটি। উপকূলীয় বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন পিএসএফ স্থাপন ও সংস্কারের কাজ করেছে তারা।
এসব কর্মসূচির পাশাপাশি নারীদের আত্মরক্ষা, তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নানা ধরনের মানবিক কাজ করে আসছে এ দশক পেরোনো এই যুব সংগঠনটি।
যত অর্জন
এক দশকের এ যাত্রায় এ সংগঠন নানাভাবে অর্জন করেছে মানুষের আস্থা ও ভরসা এবং এর সাথে জড়িত ব্যক্তিত্বদের জাতীয় অর্জন। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় ও ইউএন ভলান্টিয়ার্স আয়োজিত বাংলাদেশ ভলান্টিয়ার এ্যওয়ার্ড এ দেশের তৃনমূল পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তন, লিঙ্গ সমতা, মানসিক স্বাস্থ্য, শিশু সুরক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবী কাজের স্বীকৃতি পুরস্কার পান সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি তাহসীন উদ্দীন। এ ছাড়াও একই পুরস্কারে ২০২২ সালে ভূষিত হন সংগঠনটি ক্লাইমেট একশন ফোকাল আল মামুন রাকিব। দেশের হয়ে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করেছেন একাধিক সদস্য। আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি তাহসীন উদ্দীন, ক্লাইমেট ফোকাল আল মামুন রাকিব। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে নেপাল, ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলংকায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও রিজিওনাল কনভেনশন ও সামিটে অংশগ্রহণ করেন লাল সবুজ সোসাইটির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার মোস্তাকিমা রহমান বিনিতা৷ এছাড়াও লাল সবুজ সোসাইটি থেকে আয়োজিত মার্শাল আর্ট কর্মশালায় প্রথম অংশগ্রহণ করে উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কারাতে ও মার্শাল আর্টে স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক অর্জন করে লাল সবুজ সোসাইটির সাবেক সদস্য রাকা।
এছাড়া দেশের প্রায় ২ লক্ষ মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি ও অধিকার নিশ্চিতে কাজ করা এবং প্রায় আড়াই হাজার তরুণকে সরাসরি যুক্ত করাও এ সংগঠনের বড় অর্জন।
এ সংগঠন সম্পর্কে ক্লাইমেট একশন ফোকাল আল মামুন রাকিব বলেন, লাল সবুজ সোসাইটি তৃণমূল নেতৃত্বে বিশ্বাস করে। আজ যারা এই সংগঠনকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের অধিকাংশই তৃণমূল থেকে উঠে আসা তরুণ, যারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও সামাজিক বৈষম্যের বাস্তবতা খুব কাছ থেকে দেখেছে। এই তরুণদের ইতিবাচক পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমেই আমরা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সিভিক রাইটস চর্চা ও নারীর ক্ষমতায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করছি। ভবিষ্যতে লাল সবুজ সোসাইটি তৃণমূলভিত্তিক তরুণ নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করে স্থানীয় অভিজ্ঞতাকে নীতি পর্যায়ের আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করতে চায়, যাতে পরিবর্তন টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়।
ভলান্টিয়ার কো-অর্ডিনেটর আজিজুন তমা বলেন, লাল সবুজ সোসাইটি তরুণদের নেতৃত্ব, দক্ষতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। এটি আমাদের শেখায় যে, যুবসমাজের সৃজনশীলতা ও উদ্দীপনা সমাজে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে। আমাদের লক্ষ্য দেশের চর থেকে হাওড়, পাহাড় থেকে সমতল-সকল অঞ্চলের যুবকদের উন্নয়নে কাজ করা। তারা যাতে নিজ নিজ অঞ্চলের উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে, সেই সক্ষমতা তৈরি করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আমরা চাই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ, যেখানে সকল উন্নয়নে উপস্থিত থাকবে একদল নীতিবান স্বেচ্ছাসেবক।
ভবিষ্যত লক্ষ্য নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লাল সবুজ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি তাহসীন উদ্দীন বলেন, ছোট ছোট উদ্যোগ থেকেই বড় পরিবর্তনের সম্ভব। এই বিশ্বাসে লাল সবুজ সোসাইটির পথচলা। আমরা একটি টেকসই সংস্থা হিসেবে লাল সবুজ সোসাইটিকে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে আরো অসংখ্য তরুণ স্বপ্ন দেখতে ও সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের একটি পথ পায়। কোটি তরুণের বাংলাদেশে স্বেচ্ছাসেবী তরুণের সংখ্যা এখনো অনেক কম। আমরা চাই আরো বেশি তরুণ সমাজসেবায় যুক্ত হোক। যেকোন বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা একাডেমিক পড়াশোনা ছাড়া সিলেবাসের বাইরে কোন কাজ বা যেকোন কাজে নেতৃত্বের সুযোগ পায়নি, তাদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে আমরা গুরুত্ব দেই। ১৫ বছরের যাত্রায় হাজারো তরুণকে যুক্ত করতে পেরেছি এবং এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নিজ উদ্যোগে আজ নতুন নতুন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতেও সক্ষম হয়েছে, এটাও আমাদের অন্যতম সার্থকতা।
এ সংগঠন সম্পর্কে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান বলেন, “জেলা প্রশাসক থাকাকালীন থেকেই আমি লাল সবুজ সোসাইটি থেকে অনুপ্রাণিত। এ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা দেশের জন্য কাজ করছে দারুণ উদ্যমে। আমি নিজে তাদের থেকে শিখেছি কিভাবে মানুষের সেবা করা যায়। আমি তাদের সকল কার্যক্রমে পাশে আছি।”
বরিশালের একটি ছোট্ট ম্যাগাজিন থেকে শুরু হয়ে আজ সারাদেশ এমনকি বহির্বিশ্বেও বিস্তৃত একটি যুব সংগঠন লাল সবুজ সোসাইটির যাত্রা অনুপ্রেরণার। তরুণদের শক্তিকে সংগঠিত করে পরিবেশবান্ধব, মানবিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার যে স্বপ্ন তারা দেখেছে তা ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। লাল সবুজ সোসাইটি প্রমাণ করছে তরুণদের হাত ধরে দেশের পরিবর্তন অনিবার্য।