/
/
/
জ্বালানি খাতে নারী ও প্রান্তিকদের অধিকার রক্ষায় ‘WEE-NET’র আত্মপ্রকাশ
জ্বালানি খাতে নারী ও প্রান্তিকদের অধিকার রক্ষায় ‘WEE-NET’র আত্মপ্রকাশ
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১২:৫৮ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Untitled design (9)

জ্বালানি খাতে ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর নিশ্চিত করতে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষার দাবিতে আত্মপ্রকাশ করল নতুন জাতীয় প্ল্যাটফর্ম উইমেনস এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড এনার্জি নেটওয়ার্ক (WEE-NET)।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই নেটওয়ার্কের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় এবং জ্বালানি খাতে জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করতে ৯ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনসহ বেশ কিছু সংগঠনের পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশে সামগ্রিক উন্নয়ন সূচকে অগ্রগতি সত্ত্বেও নারীরা এখনো অর্থনৈতিক ক্ষমতা ও উৎপাদনশীল খাতে কাঠামোগতভাবে বঞ্চিত। শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণ মাত্র ১৯ শতাংশ, যেখানে পুরুষের অংশগ্রহণ প্রায় দ্বিগুণ। বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ২০২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে চাকরি হারানো মানুষের মধ্যে ৮৬ শতাংশই নারী, যা প্রমাণ করে অর্থনৈতিক সংকটে নারীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। আন্তর্জাতিকভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ৩২ শতাংশ নারী কর্মী থাকলেও বাংলাদেশে এই হার ১০ শতাংশেরও কম।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত ৯ দফা দাবিগুলো হলো জ্বালানি রূপান্তরের প্রতিটি ধাপে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, ২০৫০ সালের মধ্যে শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং জাতীয় বাজেটে এই খাতে অন্তত ৪০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা। এছাড়া অকার্যকর বিদ্যুৎকেন্দ্রের ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ ও জীবাশ্ম জ্বালানির ভর্তুকি বাতিল করে সেই অর্থ পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে ব্যয় করা, সৌর প্যানেল ও বৈদ্যুতিক যানবাহনের শুল্ক প্রত্যাহার এবং এই খাতে অন্তত ২০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। পাশাপাশি নতুন করে কোনো কয়লা বা গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ না করে জাতীয় জ্বালানি নীতিতে নারীর অধিকার ও নেতৃত্বকে আইনিভাবে বাধ্যতামূলক করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।

পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জ্বালানি নীতির প্রতিটি ধাপে নারী, আদিবাসী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। এছাড়া, সৌর প্যানেল ও ইনভার্টার আমদানিতে ভ্যাট-ট্যাক্স শূন্য করা এবং ইভি (বৈদ্যুতিক যানবাহন) প্রসারে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।