/
/
/
আজ শবে বরাতের মহিমান্বিত রাত
আজ শবে বরাতের মহিমান্বিত রাত
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১২:২৬ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত পবিত্র শবেবরাত। হিজরি সনের ১৪ শাবান রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। এ রাতকে লাইলাতুল মুবারাকা বা বরকতময় রজনি বলা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এ রাতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য রহমতের দরজা খুলে দেন।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মনে করেন, এই রাতে মানুষের জন্ম-মৃত্যু ও আমলের ভিত্তিতে ভাগ্য নির্ধারণ করা হয়। তাই মুসলিম বিশ্বে শবেবরাত সৌভাগ্যের রাত হিসেবে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়।

বাংলাদেশের মুসলমানরাও এ রাতে আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার ও দোয়ার মাধ্যমে রাতটি কাটান। অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমা চান এবং ভবিষ্যতের জন্য কল্যাণ কামনা করেন।

পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণী দিয়েছেন। তিনি এ রাতকে আল্লাহর রহমত লাভের এক অনন্য সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ইবাদত-বন্দেগি, দান-সদকা ও তওবার মাধ্যমে জীবন শুদ্ধ করার কথা বলেন।

এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাত, ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য মসজিদেও মিলাদ ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

শবেবরাত শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। ‘শব’ অর্থ রাত এবং ‘বরাত’ অর্থ সৌভাগ্য। আরবিতে এ রাতকে বলা হয় ‘লাইলাতুল নিসফে শাবান’। হাদিসে একে শাবান মাসের মধ্যরাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই রাতে অনেকেই পিতা-মাতা ও প্রিয়জনদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন। কবর জিয়ারত করেন এবং আত্মসমালোচনার মাধ্যমে নিজেকে সংশোধনের চেষ্টা করেন।

শবেবরাত উপলক্ষে অনেক পরিবার হালুয়া-রুটি ও অন্যান্য খাবার তৈরি করে আত্মীয়, প্রতিবেশী ও গরিবদের মাঝে বিতরণ করেন। এর মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন ও মানবিকতা আরও দৃঢ় হয়।

এই পবিত্র রাত মুসলমানদের জন্য রমজানের আগমনী বার্তাও বয়ে আনে। শাবান মাসের ১৪ দিনের পরই শুরু হয় পবিত্র রমজান। তাই শবেবরাত থেকেই মূলত রমজানের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়।