

আজ বিশ্ব চকলেট ডে। ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহের এই বিশেষ দিনে প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা, বন্ধুত্ব ও আন্তরিকতার অনুভূতি প্রকাশে চকলেট আদান–প্রদানের রীতি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
চকলেট ডে পালনের ধারণাটি মূলত আধুনিক ভ্যালেন্টাইনস উইক সংস্কৃতির অংশ। ভালোবাসা প্রকাশের প্রতীক হিসেবে বিভিন্ন দিন পালনের ধারাবাহিকতায় ৯ ফেব্রুয়ারি চকলেট ডে হিসেবে পরিচিতি পায়। ধীরে ধীরে দিনটি তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
ইতিহাস বলছে, প্রাচীন মায়া ও অ্যাজটেক সভ্যতায় চকলেটকে শক্তি ও আনন্দের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হতো। পরবর্তীতে ইউরোপে চকলেট জনপ্রিয় হলে এটি উপহার হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চকলেট ভালোবাসা প্রকাশের একটি সহজ ও আবেগঘন মাধ্যম হয়ে ওঠে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চকলেটে থাকা কিছু উপাদান মানুষের মস্তিষ্কে আনন্দের অনুভূতি সৃষ্টি করে, যা সম্পর্কের উষ্ণতা বাড়াতে সহায়তা করে। এ কারণেই প্রেম, বন্ধুত্ব ও আন্তরিকতার প্রতীক হিসেবে চকলেটের গুরুত্ব দিন দিন বেড়েছে।
বর্তমানে চকলেট ডে শুধু প্রেমিক–প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বন্ধু, পরিবার ও কাছের মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার উপলক্ষ হিসেবেও দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে চকলেটের দোকান ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে দেখা যাচ্ছে বিশেষ আয়োজন ও ক্রেতাদের ভিড়।
ভালোবাসার মিষ্টি প্রকাশের এই দিনটি মানুষের সম্পর্ককে আরও কাছাকাছি আনতে সাহায্য করছে এভাবেই চকলেট ডে ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহে একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিনে পরিণত হয়েছে।