/
/
/
ভোটের দিনে করণীয় ও প্রস্তুতি
ভোটের দিনে করণীয় ও প্রস্তুতি
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১২:০৮ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Pkagoj News Pic-2985_1753682081

বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬‑এ একসাথে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের দিন কাছে আসার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন কমিশন তোমার মতো ভোটারদের জন্য প্রয়োজনীয় ধাপগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে।

কে ভোট দিতে পারবে

তুমি ভোট দিতে পারবে যদি ভোটের দিন তোমার বয়স ১৮ বা তার বেশি হয় এবং তোমার নাম নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় থাকে। ভোটার তালিকায় নাম থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দিয়ে যাচাই করা হয়। NID‑এর মাধ্যমে ভোট কেন্দ্রও নির্ধারিত হয়।

ভোটের আগেই তথ্য যাচাই করো

ভোটের কয়েকদিন আগে তুমি কমিশনের Smart Election Management BD মোবাইল অ্যাপে নিজের ভোটার সিরিয়াল নম্বর, ভোটকেন্দ্র ও কেন্দ্রের ঠিকানা, নির্বাচনী এলাকা সম্পর্কিত তথ্য দেখতে পারবে। গুগল প্লে বা অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে NID নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিয়ে তথ্যগুলো দেখা যাবে। এখানে নির্বাচনী প্রতীক ও প্রার্থীদের শপথ‑নামাও দেখা যাবে। নির্বাচনের দিন বা তার কাছাকাছি সময়ে রিয়েল‑টাইম আপডেট এবং ফলাফল সম্পর্কিত কিছু ফিচার চালু থাকবে।

অ্যাপ ব্যবহার না করলে করণীয়

যদি তুমি অ্যাপ ব্যবহার করতে না পারো, তবে সরকারী টোল‑ফ্রি হেল্পলাইন (৩৩৩), নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট বা স্থানীয় উপজেলা/জেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে একই ধরণের তথ্য পেতে পারবে। ভোট কেন্দ্রেও প্রিন্টেড ভোটার তালিকার মাধ্যমে তোমার সিরিয়াল নম্বর খুঁজে দিতে সাহায্য করা হবে।

ভোটের দিন কী হবে

ভোটের দিন তুমি নির্ধারিত ভোট কেন্দ্রে সকাল ৭:৩০ থেকে বিকাল ৪:৩০ পর্যন্ত ভোট দিতে পারবে। ভোট দিতে তোমার NID, ভোটার সিরিয়াল নম্বর এবং কেন্দ্রের তথ্য সঙ্গে নিয়ে যাও। ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোমার পরিচয় যাচাই করবেন। যাচাই হলে তোমার আঙুলে অমোচনীয় ইঙ্ক দিয়ে ভোট প্রদানের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

এরপর তোমাকে দুইটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে একটি কালো‑সাদা ব্যালট সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং একটি গোলাপি ব্যালট রেফারেন্ডামের জন্য। তুমি নিজের পছন্দের প্রার্থীর বিপরীতে চিহ্ন টেনে ব্যালট বাক্সে ফেলবে। মনে রাখো, ভোট সম্পূর্ণ কাগজ ভিত্তিক, অনলাইনের মাধ্যমে ভোট দেওয়া সম্ভব নয়।

ভোট গণনা

ভোট শেষ হলে প্রতিটি কেন্দ্রেই সঙ্গে‑সঙ্গে গণনা শুরু হবে। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, প্রার্থী প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক ও অনুমোদিত মিডিয়া সদস্যদের উপস্থিতিতে গণনা করা হবে। একই দিনে দুটি আলাদা ব্যালট গণনার কারণে ফলাফলের জন্য একটু সময় লাগতে পারে।