

সোশ্যাল মিডিয়ার দ্রুত বদলে যাওয়া ট্রেন্ডের ভিড়ে আবারও নতুন এক ভিজ্যুয়াল ঢেউ তৈরি হয়েছে ‘ক্রেয়ন ড্রয়িং’ প্রোফাইল ছবি। আগে যেখানে গিবলি অ্যানিমেশন বা থ্রিডি ক্যারিকেচার স্টাইল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল, এবার ব্যবহারকারীরা ঝুঁকছেন শিশুসুলভ, রঙিন মোম পেনসিলের আঁকা ছবির দিকে।
এই স্টাইলের ছবিগুলো দেখে মনে হয় যেন কোনো ১০ বছরের শিশু সাদা কাগজে রঙিন ক্রেয়ন দিয়ে সহজ-সরলভাবে এঁকেছে। অনেকেই নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইল বা অন্যান্য ছবি এই স্টাইলে রূপান্তর করে শেয়ার করছেন, যা ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
শুধু বাংলাদেশ নয়, এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও এই ট্রেন্ড দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে এআই প্রযুক্তি। আধুনিক এআই টুলের মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডেই একটি সাধারণ ছবি রূপ নিচ্ছে নস্টালজিক, শিশুসুলভ আর্টে।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ট্রেন্ডের মূল শক্তি আবেগ ও নস্টালজিয়া। সোশ্যাল মিডিয়া বিশ্লেষকদের মতে, ক্রেয়ন স্টাইলের ছবি মানুষকে শৈশবের স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যায় যেখানে ছিল সাদামাটা আনন্দ আর নির্ভেজাল সৃজনশীলতা। সেই অনুভূতিই ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে।
এছাড়া, বর্তমান সময়ে ব্যবহারকারীরা ভিন্নধর্মী ও ইউনিক কনটেন্টের খোঁজে থাকেন। প্রচলিত ফিল্টার বা এডিটিংয়ের বাইরে গিয়ে এই ক্রেয়ন আর্ট এক নতুন ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা দিচ্ছে, যা সহজেই নজর কাড়ছে।
এই ট্রেন্ডে অংশ নেওয়াও বেশ সহজ। ব্যবহারকারীরা নিজেদের কোনো ছবি এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করে নির্দিষ্ট নির্দেশনা (prompt) ব্যবহার করছেন। Prompt – “Please recreate the entire image in a crayon drawing style. Simplify the details so that it looks like it was drawn by a 10-year-old child. Do not use the original colors from the image. Make the overall look feel like it was drawn on a sheet of white paper, with a very cute and playful vibe. You can add adorable elements such as flowers, candies, stars, clouds, etc., to give it a childlike and innocent feel.”
সহজ প্রক্রিয়া ও আকর্ষণীয় ফলাফলের কারণে সাধারণ ব্যবহারকারীরাও দ্রুত এতে যুক্ত হচ্ছেন। ফলে ‘ক্রেয়ন ড্রয়িং’ এখন শুধু একটি ফ্যাশন নয় এটি হয়ে উঠেছে প্রযুক্তির মাঝে হারিয়ে যাওয়া সরলতা ও শৈশবের আবেগ ফিরে পাওয়ার এক নতুন ডিজিটাল ভাষা।