/
/
/
বন্য প্রাণীর বিজ্ঞাপন ও নিষ্ঠুরতার ভিডিও প্রচার নিষিদ্ধ, গঠিত হচ্ছে ‘বন্য প্রাণী উইং’
বন্য প্রাণীর বিজ্ঞাপন ও নিষ্ঠুরতার ভিডিও প্রচার নিষিদ্ধ, গঠিত হচ্ছে ‘বন্য প্রাণী উইং’
ByMozammel Haque Hridoy
Published১০ জানুয়ারি, ২০২৬
৩:২৪ অপরাহ্ণ
1762172769579
Mozammel Haque Hridoy
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে লাল সবুজ প্রকাশের সাব-এডিটর হিসেবে কর্মরত। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন সিজে ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা, সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ‘Northify’ এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক দেশ রূপান্তরের বেরোবি প্রতিনিধি ছিলেন।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

thala bijoy (20)

বন্য প্রাণী সুরক্ষা জোরদার করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্য প্রাণীর বিজ্ঞাপন প্রচার এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের ভিডিও প্রকাশ নিষিদ্ধ করে সরকার ‘বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে।

গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

নতুন এ অধ্যাদেশ অনুযায়ী, হাট বাজারসহ যেকোনো মাধ্যমে বন্য প্রাণী কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্য প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। সরকারের আশা, এই আইন কার্যকর হলে পরিবেশগত নিরাপত্তা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ আরও শক্তিশালী হবে।

অধ্যাদেশে বন্য প্রাণী রক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বন অধিদপ্তরের অধীনে ‘বন্য প্রাণী উইং’ নামে একটি আলাদা ইউনিট গঠন করা হবে। পাশাপাশি বন্য প্রাণীর চিকিৎসাসেবার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসা কেন্দ্র ও দক্ষ চিকিৎসক নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পরপর বিপন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রাণীর তালিকা হালনাগাদ করার বিষয়টিও অধ্যাদেশে উল্লেখ রয়েছে।

মানুষ ও বন্য প্রাণীর দ্বন্দ্ব কমাতে প্রাণীদের আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বন্য প্রাণী সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণে বন্য প্রাণী উপদেষ্টা বোর্ড এবং উদ্ভিদ ও প্রাণী বিশারদদের সমন্বয়ে একটি বৈজ্ঞানিক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, গবেষণা কার্যক্রম, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বন্য প্রাণী সংশ্লিষ্ট অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ‘বন্যপ্রাণী ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সরকার ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এই দুটি অধ্যাদেশকে দেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে।