/
/
/
জহির রায়হানের কাজ নিয়ে নির্মিত ‘এ মিসিং ক্যান অব ফিল্ম’ এর প্রদর্শনী
জহির রায়হানের কাজ নিয়ে নির্মিত ‘এ মিসিং ক্যান অব ফিল্ম’ এর প্রদর্শনী
ByMozammel Haque Hridoy
Published১১ জানুয়ারি, ২০২৬
২:৩৪ অপরাহ্ণ
1762172769579
Mozammel Haque Hridoy
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে লাল সবুজ প্রকাশের সাব-এডিটর হিসেবে কর্মরত। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন সিজে ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা, সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ‘Northify’ এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক দেশ রূপান্তরের বেরোবি প্রতিনিধি ছিলেন।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Copy of thala bijoy (4)

প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের চলচ্চিত্রিক ইতিহাসকে নতুন আঙ্গিকে ফুটিয়ে তুলতে রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হয় ‘এ মিসিং ক্যান অব ফিল্ম’ এর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার প্রদর্শনী। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন নাঈম মোহায়মেন।

গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি} বিকেল ৪টায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের মিলনায়তনে এই চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীটি সকল শ্রেণির দর্শকের জন্য উন্মুক্ত ছিল।

পরিচালক মোহায়মেন তার এই চলচ্চিত্রে অতীতের হারিয়ে যাওয়া ফিল্ম রিল, দলিল, রাষ্ট্রীয় ইতিহাস ও ব্যক্তিগত স্মৃতির মধ্যে তৈরি দ্বন্দ্ব ও টানাপোড়েনকে শিল্পভাষায় উপস্থাপন করেছেন। এছাড়াও যুক্ত করেছেন কালজয়ী প্রামাণ্যচিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’ এর অংশ বিশেষ ।

১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি শহীদ হওয়ার আগে জহির রায়হান  ১০টি চলচ্চিত্র পরিচালনা ও ১২টি উপন্যাস রচনা করেছিলেন, যা আজও বাংলাদেশের শিল্প সাহিত্য ও ইতিহাসের অমূল্য সম্পদ।

জহির রায়হানকে নিয়ে তৈরি করা এ চলচ্চিত্রের নির্মাতা নাইম মোহায়মেন চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র ও প্রবন্ধের দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রীয় ইতিহাস ও ব্যক্তিগত স্মৃতির সংঘাত নিয়ে কাজ করে থাকেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজ্যুয়াল আর্টস বিভাগে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিহাস, রাজনীতি ও শিল্পের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে তার গবেষণা এবং কাজ আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রদর্শিতসহ সমসাময়িক সময়ে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

প্রদর্শনীতে তিনি বলেন, চলচিত্রের উপর গবেষণা এবং অনুসন্ধানমূলক শিল্পচর্চা থেকেই এই ছবি নির্মাণ করা। শিল্পমনা মানুষ, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিহাসের এ নতুন পাঠগুলো খুব প্রয়োজন। এতে করে অতীতকে নতুনভাবে বুঝতে পারবো আমরা।

প্রদর্শনী শেষে পরিচালক ও দর্শকদের অংশগ্রহণে একটি উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়–শিক্ষার্থী, চলচ্চিত্রকর্মী, সংস্কৃতিকর্মী, গবেষক ও আগ্রহী দর্শকরা অংশ নেন।  আলোচনায় চলচ্চিত্র সংরক্ষণ, রাষ্ট্রীয় ইতিহাস নির্মাণ, হারিয়ে যাওয়া ফিল্ম–আর্কাইভ ও মুক্তিযুদ্ধের সাংস্কৃতিক দলিল–সংক্রান্ত নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ উঠে আসে।