/
/
নেপালে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতল বাংলাদেশের ‘ঝরা পাতার চিঠি’
নেপালে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতল বাংলাদেশের ‘ঝরা পাতার চিঠি’
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published২২ জানুয়ারি, ২০২৬
৩:৪৭ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

32222344

সম্পর্কের সূক্ষ্ম অনুভূতি ও মানবিক টানাপোড়েনকে উপজীব্য করে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঝরা পাতার চিঠি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরেকটি সাফল্য অর্জন করেছে। কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় শায়লা রহমান তিথির এই সিনেমাটি নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে অনুষ্ঠিত ১৪তম নেপাল-আফ্রিকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা বিদেশি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে।

উৎসবের সমাপনী দিনে নেপাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান দীনেশ ডিসি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এর আগে ‘ঝরা পাতার চিঠি’ ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়েছিল, যেখানে এটি দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়।

পুরস্কার প্রাপ্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নির্মাতা শায়লা রহমান তিথি বলেন,
‘এটি আমার দ্বিতীয় স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা। ঢাকার পর নেপালে এসে ছবিটি পুরস্কৃত হওয়া আমার জন্য যেমন গর্বের, তেমনি স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্যও এটি আনন্দের খবর। পুরো টিমের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি উৎসব কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’

২৩ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন সংগীতশিল্পী পার্থ বড়ুয়া, স্বর্ণালী চৈতি, আজুমান্দ আরা বকুল, নাজমুল হক বাবু, সাবিকুন্নাহার কাঁকনসহ আরও কয়েকজন শিল্পী। চরিত্রগুলোর সংবেদনশীল উপস্থাপনা ও পরিমিত অভিনয় সিনেমাটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।

‘ঝরা পাতার চিঠি’ প্রযোজনা করেছেন তাপস দাস ও কামাল বায়েজিদ। সীমিত দৈর্ঘ্যের মধ্যেও সম্পর্কের ভাঙাগড়া, অনুভবের নীরবতা ও মানবিক দূরত্বকে সাবলীলভাবে তুলে ধরার কারণে ছবিটি দর্শক ও জুরিদের দৃষ্টি কেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আন্তর্জাতিক উৎসবে এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র অঙ্গনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।