/
/
/
বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুতে আগ্রহী পেপ্যাল
বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুতে আগ্রহী পেপ্যাল
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
১২:৩৫ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Copy of lsp photo (32)

বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বহুজাতিক আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পেপ্যাল। তবে নতুন বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ ও ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া থাকায় এতে সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক-বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।

গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, গত সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে পেপ্যালের সঙ্গে তাঁর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে নীতিগতভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের আগ্রহ প্রকাশ করেছে পেপ্যাল।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই আগ্রহকে তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশে পেপ্যালের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। কারণ, নতুন কোনো দেশে কার্যক্রম শুরু করার আগে পেপ্যাল দীর্ঘ সময়ের একটি অভ্যন্তরীণ ও ধাপে ধাপে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

লুৎফে সিদ্দিকী জানান, বাংলাদেশ ও পেপ্যালের মধ্যে আলোচনা বহু বছর ধরেই চলছিল। তবে বিভিন্ন কারণে আগে প্রতিষ্ঠানটি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহী ছিল না। তাঁর পক্ষ থেকে কয়েক মাস ধরে অনুরোধের পর গত ডিসেম্বর পেপ্যালের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে। সফরকালে তারা চার থেকে পাঁচ দিন ধরে দেশের উদ্যোক্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রথম পেপ্যালের সঙ্গে তাঁর সরাসরি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শুরু করবে। এর অংশ হিসেবে পেপ্যালের ভেতরে আলোচনা, পর্যালোচনা এবং পরিচালনা পর্ষদ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে। এসব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে পেপ্যাল আসছে, এমন কোনো প্রত্যাশা তৈরি করতে চায় না প্রতিষ্ঠানটি।

নিজের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন তুলে ধরে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, পেপ্যাল বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে ইতোমধ্যে আশ্বস্ত। বাংলাদেশের জনসংখ্যাগত ও বাজার সম্ভাবনা আগে থেকেই ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সুশাসনের উন্নতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির আস্থা আরও বেড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, পেপ্যাল বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করলে দেশের ফ্রিল্যান্সার, উদ্যোক্তা ও বৈদেশিক লেনদেন খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে পেপ্যালের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়ার অগ্রগতির ওপর।