

পরোক্ষ ধূমপান বা সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোকিং শুধু ধূমপায়ীদের নয়, আশপাশের মানুষের স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি। রেস্টুরেন্ট, বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে ধূমপানের কারণে প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। এ বাস্তবতায় তামাকমুক্ত শহর গঠনের লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে আর্ক ফাউন্ডেশন।
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের বার্তাকে আরও বিস্তৃত করতে প্রতিষ্ঠানটি “Not Here. Not Cool.” শীর্ষক একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। বাংলাদেশের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এ আয়োজনের মাধ্যমে জনসমক্ষে ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে তরুণদের সৃজনশীল মতামত ও সচেতনতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।
আর্ক ফাউন্ডেশনের পরিচালিত Tobacco Free Cities (TFC) প্রকল্প বর্তমানে ঢাকা ও নরসিংদীতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির লক্ষ্য রেস্টুরেন্ট, বাসস্ট্যান্ড এবং অন্যান্য জনসমাগমস্থলে তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা। আয়োজকদের মতে, পরোক্ষ ধূমপান একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা, যা মোকাবিলায় সামাজিক সচেতনতা এবং তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা দুটি ক্যাটাগরিতে কনটেন্ট জমা দিতে পারবেন। প্রথম ক্যাটাগরিতে রিল ভিডিও তৈরি করে দেখাতে হবে কীভাবে পাবলিক প্লেসে ধূমপান অন্যদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে ছবি বা মিম তৈরি করে তামাকমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন কিংবা জনসমক্ষে ধূমপানের নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরা যাবে।
অংশগ্রহণকারীদের তাদের কনটেন্ট ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম অথবা লিংকডইনে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে ARK Foundation-কে ট্যাগ করতে হবে এবং #NotHereNotCool হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে হবে। এরপর নির্ধারিত অনলাইন ফর্মের মাধ্যমে এন্ট্রি জমা দিতে হবে।
অংশগ্রহণ ফর্ম লিংক
এন্ট্রি জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ জুন ২০২৬।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রথম স্থান অর্জনকারী পাবেন ৫ হাজার টাকা, গিফট হ্যাম্পার, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের জন্যও রয়েছে নগদ অর্থ, গিফট হ্যাম্পার, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট। এছাড়া পাঁচজন অংশগ্রহণকারীকে স্পেশাল মেনশন পুরস্কার দেওয়া হবে।
আয়োজকদের মতে, এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও তামাকমুক্ত শহর গড়ে তোলার একটি সামাজিক উদ্যোগ। তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনসমক্ষে ধূমপানবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও শক্তিশালী হবে।