

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন দেখা যাচ্ছে অস্বাভাবিক তাপমাত্রার তারতম্য-দিনে তীব্র গরম, আর রাতে তুলনামূলক শীতল আবহাওয়া। এমন বৈপরীত্যপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বাড়ছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যসমস্যা, বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের মধ্যে।
চিকিৎসকদের মতে, দিনে উচ্চ তাপমাত্রায় শরীর ঘাম ঝরিয়ে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু রাতে হঠাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটে। এর ফলে সর্দি-কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং অ্যালার্জির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সময়ে হালকা কিন্তু স্তরযুক্ত পোশাক পরা উচিত, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী খুলে বা পরে নেওয়া যায়। দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং রাতে হালকা গরম কাপড় ব্যবহার করা উপকারী। এছাড়া শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সময় অযথা বাইরে ঘোরাফেরা কমানো, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কোনো উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
আবহাওয়ার এই ওঠানামা সাময়িক হলেও সচেতনতা ও সতর্কতাই পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে।