

শৈশবে একাকিত্বকে অনেক সময় তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অনেকেই মনে করেন, বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছোটবেলার কষ্ট বা নিঃসঙ্গতা ভুলে যাওয়া যায়। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, শৈশবের একাকিত্ব শুধু সাময়িক মানসিক সমস্যা নয়-এটি ভবিষ্যতে মস্তিষ্কের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
চীনের বেইজিংয়ের ক্যাপিটাল মেডিকেল ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক সাত বছর ধরে ১৩ হাজারের বেশি মানুষের ওপর একটি গবেষণা চালান। আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘জেএএমএ নেটওয়ার্ক ওপেন’-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশবে দীর্ঘ সময় একাকিত্বে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে বার্ধক্যে ‘ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি’।
কী বলছে গবেষণা
গবেষণায় ১৭ বছর বয়সের আগের সময়কে শৈশব হিসেবে ধরা হয়েছে। যেসব শিশু ছোটবেলায় বন্ধুহীন ছিল বা দীর্ঘ সময় নিঃসঙ্গতায় কাটিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেখা গেছে-
* মধ্যবয়স পার হওয়ার পর তাদের স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি।
* তাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা তুলনামূলক দ্রুত কমে যায়।
* ভাষা বোঝা, যুক্তি করা এবং নতুন তথ্য মনে রাখার ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পায়।
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল প্রায় ৫৮ বছর। গবেষকেরা বলেন, বড় হওয়ার পর জীবনযাত্রা বদলালেও শৈশবের একাকিত্বের প্রভাব মস্তিষ্কে দীর্ঘ সময় থেকে যেতে পারে।
কেন এমন হয়
বিশেষজ্ঞদের মতে, মস্তিষ্কের বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হলো শৈশব। এই সময়ে দীর্ঘদিন নিঃসঙ্গতা থাকলে তা একধর