/
/
/
নিখোঁজ ও অপহৃত শিশুদের দ্রুত উদ্ধারে সিআইডির ‘ফ্রি হেল্পলাইন’ ও ‘মুন অ্যালার্ট’ চালু
নিখোঁজ ও অপহৃত শিশুদের দ্রুত উদ্ধারে সিআইডির 'ফ্রি হেল্পলাইন' ও ‘মুন অ্যালার্ট’ চালু
ByMozammel Haque Hridoy
Published১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
৩:৩৪ অপরাহ্ণ
1762172769579
Mozammel Haque Hridoy
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে লাল সবুজ প্রকাশের সাব-এডিটর হিসেবে কর্মরত। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন সিজে ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা, সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ‘Northify’ এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক দেশ রূপান্তরের বেরোবি প্রতিনিধি ছিলেন।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

cid

নিখোঁজ এবং অপহৃত শিশুদের দ্রুত উদ্ধারের জন্য ‘ফ্রি হেল্পলাইন’ ১৩২১৯ চালু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। একই সঙ্গে উদ্ধারকাজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা ‘মুন অ্যালার্ট’ (মিসিং আর্জেন্ট নোটিফিকেশন)।

গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে সিআইডি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সিআইডির প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এখন থেকে নিখোঁজ শিশু সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য টোল ফ্রি হেল্পলাইন ১৩২১৯ এ জানানো যাবে। এছাড়াও জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এবং সিআইডির মিসিং চিলড্রেন সেল নম্বরে এ তথ্য দেওয়া যাবে।
এছাড়া, সিআইডি নিখোঁজ শিশু সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত যাচাই এবং ঝুঁকি মূল্যায়ন করে জরুরি সতর্কবার্তা ‘মুন অ্যালার্ট’ জারি করবে। দেশে যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় এই নম্বরে ফোন করা যাবে। ভবিষ্যতে পুলিশের অন্যান্য হটলাইনও এই সিস্টেমের সাথে যুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যাতে নিখোঁজ শিশুকে দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
সিআইডির প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ আরও জানান, ‘মুন অ্যালার্ট’ মাধ্যমে শিশুদের তথ্য অফিশিয়াল ওয়েব পোর্টাল, মোবাইল অ্যাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ডিজিটাল বিলবোর্ড, ব্যাংকের এটিএম বুথ এবং মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে প্রচার করা হবে। এতে সাধারণ জনগণ দ্রুত তথ্য দিয়ে উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়ায় শিশুর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম বা শিশু পাচারের আশঙ্কা হলে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘ইয়েলো নোটিশ’ জারি করা হবে। আন্তর্জাতিকভাবে ‘অ্যাম্বার অ্যালার্ট’ পরিচালনাকারী সংস্থা ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়েটেড চিলড্রেন (এনসিএমইসি) এবং ফেসবুকের সহায়তায় সিআইডি ও জিরো মিসিং প্ল্যাটফর্ম এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে।