/
/
৩৬ অপারেশনের পর ঘরে ফিরলো মাইলস্টোনে দগ্ধ শিশু আবিদ
৩৬ অপারেশনের পর ঘরে ফিরলো মাইলস্টোনে দগ্ধ শিশু আবিদ
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published২১ জানুয়ারি, ২০২৬
৫:৩৫ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Copy of lsp photo (4)

ঢাকা উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে দীর্ঘ ছয় মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে ঘরে ফিরেছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আবিদুর রহিম আবিদ। ৩৬টি অস্ত্রোপচার শেষে সুস্থতার পথে এগিয়ে বুধবার (২১ জানুয়ারি) তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নাসির উদ্দিন বুধবার দুপুরে ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “আবিদ দীর্ঘ সময় ধরে নিবিড় চিকিৎসা ও ধারাবাহিক অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে গেছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং সে বাড়িতে থেকেই পরবর্তী চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।”
আবিদ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের মোয়াকোলা পূর্বপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে। পরিবারের সঙ্গে সে বর্তমানে ঢাকার উত্তরায় বসবাস করছে। তার বড় বোন রাইসা (১৩) মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং আবিদ বর্তমানে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে।
দুর্ঘটনায় আবিদের দুই হাত, মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশসহ মোট প্রায় ২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়। এ ছাড়া তার শ্বাসনালীতেও মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ ছয় মাসের চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় তাকে মোট ৩৬টি অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২১ জুলাই রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দোতলা ভবনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। ওই দুর্ঘটনায় আগুনে পুড়ে ও ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে স্কুলের বহু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রাণ হারান এবং অনেকে গুরুতর আহত হন।
দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে আবিদের ঘরে ফেরা সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। চিকিৎসকরা আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত ফলোআপ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের মাধ্যমে আবিদ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।