/
/
লাল সবুজ সোসাইটি: স্বপ্ন থেকে স্বীকৃতি
লাল সবুজ সোসাইটি: স্বপ্ন থেকে স্বীকৃতি
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
৩:২৫ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Untitled design (12)

এনজিও বিষয়ক ব্যুরো থেকে নিবন্ধন প্রাপ্তি উপলক্ষে লাল সবুজ সোসাইটি আয়োজন করেছে বিশেষ উদযাপন অনুষ্ঠান।

৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ঢাকার নারীপক্ষের একটি সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এই আয়োজন।

লাল সবুজ সোসাইটির এই নিবন্ধন শুধু আইনগত স্বীকৃতি নয়, বরং সামাজিক উদ্যোগ ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণকারীরা আনন্দ ও উদ্দীপনার সঙ্গে সংগঠনের সাফল্য উদযাপন করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জাতীয় এনজিও ব্যুরো থেকে নিবন্ধন পাওয়া লাল সবুজ সোসাইটির জন্য নতুন দিগন্তের সূচনা। এটি সংগঠনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও প্রভাবশালী করতে সহায়তা করবে।

লাল সবুজ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা, কো-অর্ডিনেটরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা সংগঠনের সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। বক্তারা জানান, নিবন্ধন অর্জনের ফলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে সংগঠনের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা তাহসীন উদ্দিন বলেন, আমাদের লাল সবুজ সোসাইটির স্লোগান ‘স্বপ্ন দেখি এবং স্বপ্ন দেখাই।’ আমরা নিজেরাও স্বপ্ন দেখি এবং চেষ্টা করি, বাংলাদেশের বিপুল তরুণসমাজ যেন আরও বড় স্বপ্ন দেখতে পারে। আজকের তরুণরাই দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে এই বিশ্বাস থেকে আমরা কাজ করে যাচ্ছি, যাতে তারা সমাজ ও দেশের উন্নয়নে আরও বেশি অবদান রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এই কাজ করতে গিয়ে আমরা ছোট ছোট কিছু স্বীকৃতিও পেয়েছি। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সম্প্রতি আমরা এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো থেকে নিবন্ধন পেয়েছি। আমার কাছে এটি যেমন উদযাপনের বিষয়, তেমনি অনেক বড় দায়িত্বও। একটি যুব সংগঠন হিসেবে এবং এখন একটি স্বীকৃত এনজিও হিসেবে এই অর্জনকে ধরে রাখা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে আমরা সামনে কীভাবে আমাদের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করা যায় এবং যে পরিসরে কাজ করে আসছিলাম, তা আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া যায় সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই।

উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত ও দায়িত্বশীল কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।