/
/
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ: উত্তীর্ণদের করণীয়
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ: উত্তীর্ণদের করণীয়
Byadminsr
Published
১:৪৭ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

primary-teacher

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র পাওয়ার আগে নির্বাচিতদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্দেশনাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে।

প্রকাশিত ফলে কোনো ধরনের ভুল, ত্রুটি বা মুদ্রণজনিত অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তা সংশোধন বা প্রয়োজন হলে ফল বাতিল/পরিমার্জনের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

কোনো প্রার্থী ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার ফল বা প্রাথমিক নির্বাচন বাতিল করা হবে।

নির্বাচিত প্রার্থীদের ২২ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন কর্তৃক প্রদত্ত স্বাস্থ্যগত যোগ্যতার সনদ এবং ডোপটেস্ট রিপোর্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। স্বাস্থ্য সনদে নিয়োগ অযোগ্য উল্লেখ থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে আর বিবেচনা করা হবে না।

এছাড়া ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রার্থীদের সশরীরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপস্থিত হয়ে পরিচিতি যাচাই ও কাগজপত্র পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এ সময় সব শিক্ষাগত সনদের মূল কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র, সঠিকভাবে পূরণ করা তিন কপি পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম, স্বাস্থ্য সনদ, ডোপটেস্ট রিপোর্ট এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটার সনদ সঙ্গে আনতে হবে।

পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনে পূর্ব কার্যক্রম অসন্তোষজনক হলে বা নাশকতা, সন্ত্রাস, জঙ্গি কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে চাকরির জন্য অযোগ্য ধরা হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য সনদ ও ডোপটেস্ট রিপোর্ট জমা না দেওয়া, সশরীরে উপস্থিত না হওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিলে ব্যর্থ হলে প্রার্থী পরবর্তীতে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন না।