/
/
চৈত্র থেকেই তাপদাহ, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গরমের আশঙ্কা
চৈত্র থেকেই তাপদাহ, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গরমের আশঙ্কা
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published১৬ এপ্রিল, ২০২৬
১:২৮ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Summer

বাংলাদেশে গরমের তীব্রতা বোঝাতে যেমন ‘চৈত্রের খরতাপ’ বা ‘জ্যৈষ্ঠের তাপদাহ’ এমন প্রবাদ প্রচলিত আছে, তেমনি এগুলোই ইঙ্গিত দেয় বছরের একটি বড় সময়জুড়ে গরম কতটা প্রভাব ফেলে মানুষের জীবনে।

বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী চৈত্র মাস পড়ে সাধারণত মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে, আর জ্যৈষ্ঠ মাস থাকে মে-জুনে। এর মাঝখানে এপ্রিল-মে জুড়ে অবস্থান বৈশাখের। অর্থাৎ, কাগজে-কলমে বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মিলে গ্রীষ্মকাল ধরা হলেও বাস্তবে বাংলাদেশে গরমের সূচনা হয়ে যায় মার্চ থেকেই, যা চৈত্র মাসের সঙ্গে মিলে যায়।

শুধু তাই নয়, এই গরম অনেক সময় শরৎকাল পর্যন্তও স্থায়ী হতে দেখা যায়। ফলে গ্রীষ্মের প্রভাব ক্যালেন্ডারের নির্ধারিত সময়ের চেয়েও দীর্ঘ হয়।

চলতি বছর মার্চ মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি হওয়ায় তাপের তীব্রতা খুব একটা অনুভূত হয়নি। তবে এপ্রিলের শুরুতেই, বিশেষ করে বৈশাখের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে তাপপ্রবাহের দাপট স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, যদিও ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গ্রীষ্মকাল মাত্র দুই মাসের, বাস্তবে তাপদাহের এই পরিস্থিতি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে। এখন প্রশ্ন এবার তাপমাত্রা ঠিক কতটা বাড়বে এবং এই তীব্র গরম আর কতদিন স্থায়ী হবে সেদিকেই তাকিয়ে আছে সবাই।