

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ড্রাই ফ্রুটস উপকারিতা নিয়ে নানা ভিডিও ভাইরাল হলেও, সাম্প্রতিক এক গবেষণা সতর্ক করেছে অতিরিক্ত গ্রহণের ঝুঁকি সম্পর্কে। ‘অ্যাডভান্সেস ইন নিউট্রিশন’-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, পরিমাণ না বুঝে ড্রাই ফ্রুটস খেলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও ড্রাই ফ্রুটসে ক্যালোরির মাত্রা অনেক বেশি। ফলে বেশি খেলে দ্রুত ওজন বাড়তে পারে। পাশাপাশি এতে থাকা অতিরিক্ত ফাইবার হজমের সমস্যা তৈরি করে যেমন – গ্যাস, পেট ফাঁপা বা ডায়রিয়া। কিশমিশ ও খেজুরের মতো ড্রাই ফ্রুটসে প্রাকৃতিক শর্করা বেশি থাকায় অতিরিক্ত খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
এছাড়া কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বাদামজাতীয় খাবারে অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। বেশি পরিমাণে খেলে চুলকানি, ফোলা বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
পুষ্টিবিদদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন ২০-৩০ গ্রাম ড্রাই ফ্রুটস যথেষ্ট। যেমন – ৫-৬টি কাঠবাদাম, ২-৩টি আখরোট, ৮-১০টি কিশমিশ বা ১-২টি খেজুর। এক ধরনের বাদাম না খেয়ে বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজ মিশিয়ে খাওয়াই উত্তম।
সকালে নাস্তার সঙ্গে বা ব্যায়ামের আগে ড্রাই ফ্রুটস খেলে তা দ্রুত শক্তি দেয়। আবার বিকেলে জাঙ্ক ফুডের বদলে এটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে। অনেকেই ভিজিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন, এতে হজম সহজ হয়।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—ড্রাই ফ্রুটস উপকারী হলেও, সঠিক পরিমাণ বজায় রাখাই সুস্থ থাকার চাবিকাঠি।