/
/
/
পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধুমপান সেবনে নিষেধাজ্ঞা, জরিমানা ২ হাজার টাকা
পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধুমপান সেবনে নিষেধাজ্ঞা, জরিমানা ২ হাজার টাকা
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published৩ জানুয়ারি, ২০২৬
১:৪৬ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Copy of Copy of Copy of Bold Modern Travel Vlog Video YouTube Thumbnail (31)

বাংলাদেশে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ কার্যকর হয়েছে।
বিদ্যমান ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ আরও শক্তিশালী করতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত অধ্যাদেশটি গত মাসের ৩০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের মাধ্যমে কার্যকর হয়।
এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের বার্তায় জানানো হয়, নতুন অধ্যাদেশের মূল লক্ষ্য হলো তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া। একই সঙ্গে বিড়ি উৎপাদনসংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একটি সমন্বিত আইন কাঠামো গড়ে তোলা এবং ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ সব উদীয়মান তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।
নতুন অধ্যাদেশে তামাকজাত দ্রব্য এর সংজ্ঞাতেও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ই সিগারেট, ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট, নিকোটিন পাউসশ সব ধরনের জিনিসগুলোকে উদীয়মান তামাকপণ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পাবলিক প্লেসে ও পরিবহনে ধুমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়। এর লঙ্ঘন করলে ২ হাজার টাকা জরিমানা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়।
প্রেস উইংয়ের তথ্যানুযায়ী নতুন এ অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে ধুমপান ও তামাক ব্যবহারের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে সরকার আশা করে।