/
/
/
বিনামূল্যে কেয়ারগিভিং প্রশিক্ষণে সুযোগ
বিনামূল্যে কেয়ারগিভিং প্রশিক্ষণে সুযোগ
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published২৯ এপ্রিল, ২০২৬
৪:৩২ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

681676174_2024209105201264_4333497380357648518_n

বিনামূল্যে কেয়ারগিভিং প্রশিক্ষণে নতুন সুযোগ, ২ মে থেকে ভর্তি শুরু

গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বেকার যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিনামূল্যে কেয়ারগিভিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের ‘অ্যাসেট’ প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যা স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (নিপোর্ট) পরিচালনা করছে।

প্রশিক্ষণটি সম্পূর্ণ সরকারি খরচে পরিচালিত হবে এবং এর মেয়াদ ৩ মাস বা ৩৬০ ঘণ্টা। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী যেকোনো ব্যক্তি এতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য বিশেষ ভাতা সুবিধাও রাখা হয়েছে। সাধারণ প্রশিক্ষণার্থীরা মাসে ১,৫০০ টাকা এবং নারী, প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অংশগ্রহণকারীরা মাসে ২,০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। এছাড়া যাতায়াত বাবদ দৈনিক সর্বোচ্চ ১০০ টাকা, মাসে সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের এনএসডিএ এর মাধ্যমে দক্ষতা যাচাই সাপেক্ষে সরকারি সনদ দেওয়া হবে, যা দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াবে। নারী, অনগ্রসর ও প্রতিবন্ধীদের এই প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (আরপিটিআই) ও আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (আরটিসি) এর মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল, কুমিল্লা, গাজীপুর, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, টাঙ্গাইলসহ আরও বহু এলাকা।

আগামী ২রা মে থেকে এই প্রশিক্ষণের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ভর্তিচলমান রয়েছে। আগ্রহীরা বিস্তারিত তথ্যের জন্য www.niport.gov.bd, www.asset-dte.gov.bd এবং www.AProMIS.app ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করতে পারবেন।

এই উদ্যোগটি দেশের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।