

দক্ষিণ এশিয়ায় ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা জোরদার করার লক্ষ্যে ডিডিআই (DDI) সাউথ এশিয়ার আওতায় সাব-গ্রান্টের ‘কোহর্ট-২’ ঘোষণা করেছে অ্যাকাউন্টেবিলিটি ল্যাব।
কোহর্ট ১-এর সফলতার ধারাবাহিকতায় এবারও স্থানীয়ভাবে পরিচালিত এবং ডিজিটালভাবে উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষ করে যেসব উদ্যোগ ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, নাগরিক অংশগ্রহণ, গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা এবং জটিল পরিবেশে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে-তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এবারের কোহর্ট-২-এ চারটি বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে-
১. ডিজিটাল স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ নাগরিক সম্পৃক্ততা জোরদার
২. প্রান্তিক ও প্রতিনিধিত্ববিহীন জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি
৩. জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক সুশাসন চর্চা প্রসার
৪. আঞ্চলিক গণতান্ত্রিক ইকোসিস্টেমে সহযোগিতা বৃদ্ধি
সিভিল সোসাইটি সংগঠন, যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠন, নারী নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক সংগঠনগুলোকে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্বাচিত সংগঠনগুলো আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কাঠামোবদ্ধ মেন্টরশিপ ও সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
আবেদনের শেষ তারিখ ২৫ মার্চ ২০২৬। আগ্রহীরা বিস্তারিত জানতে রিকোয়েস্ট ফর অ্যাপ্লিকেশন (RFA) দেখতে পারেন: https://lnkd.in/dQupjFQd
সব আবেদনকারীকে www.impactgrants.org
ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হবে।
উল্লেখ্য, ডিডিআই সাউথ এশিয়ার কোহর্ট ১-এর আওতায় যারা ইতোমধ্যে সাব-গ্রান্ট পেয়েছেন, তারা কোহর্ট ২-এ আবেদন করার যোগ্য নন।