/
/
/
রমজানে কম দামে টিসিবির পণ্য, বিক্রি শুরু আজ
রমজানে কম দামে টিসিবির পণ্য, বিক্রি শুরু আজ
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১২:২৪ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

WhatsApp Image 2026-02-17 at 12.22.49 PM

পবিত্র রমজান উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করছে রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ কার্যক্রমের আওতায় সারাদেশে বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, ডাল ও খেজুর বিক্রি করা হবে। রমজান উপলক্ষে বাড়তি পণ্য হিসেবে ছোলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং খেজুর ১৬০ টাকা দরে পাওয়া যাবে। এছাড়া ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, চিনি ৮০ টাকা এবং মসুর ডাল ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হবে।

ভ্রাম্যমাণ ট্রাক থেকে একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার তেল, এক কেজি চিনি, দুই কেজি ডাল, এক কেজি ছোলা এবং বরাদ্দ সাপেক্ষে এক থেকে দুই কেজি খেজুর কিনতে পারবেন। এসব পণ্য যে কেউ কিনতে পারবেন।

এছাড়া ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য নিয়মিত বিক্রয় কার্যক্রমও চলবে। কার্ডধারী পরিবারগুলোর জন্য প্রতিমাসে ভর্তুকিমূল্যে ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডালের যে পরিমাণ ও মূল্য নির্ধারিত রয়েছে, তা অপরিবর্তিত থাকবে। রমজানে কার্ডধারীরাও ছোলা ৬০ টাকা এবং খেজুর ১৬০ টাকা দামে কিনতে পারবেন।

প্রতিদিন ঢাকা মহানগরে ৫০টি, চট্টগ্রাম মহানগরে ২০টি এবং অন্যান্য ৭টি মহানগরে ১৫টি করে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রি করা হবে। এছাড়া অবশিষ্ট ৫৫ জেলায় পাঁচটি করে—সর্বমোট ৪৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে এই বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত মোট ২০ দিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া) এই কার্যক্রম চলবে। টিসিবি জানিয়েছে, প্রতিদিন ট্রাকপ্রতি ৪০০ জন নিম্নআয়ের মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করা হবে। ট্রাকসেলের মাধ্যমে প্রায় ৩৫ লাখ উপকারভোগীর কাছে প্রায় ২৩ হাজার টন পণ্য সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।