/
/
/
ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে, যা যা লাগবে
ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে, যা যা লাগবে
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published
১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

ChatGPT Image Feb 24, 2026, 10_46_56 AM

দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চালু হতে যাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাইলট প্রকল্প হিসেবে আসন্ন ঈদের আগেই কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রত্যেক সুবিধাভোগী পরিবার মাসে ২ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেতে পারে। ৫০ লাখ সুবিধাভোগীকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বছরে এ খাতে সরকারের ব্যয় দাঁড়াতে পারে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি।

কোথায় শুরু হচ্ছে পাইলট প্রকল্প

প্রাথমিকভাবে বগুড়া ও দিনাজপুর জেলার ৮টি উপজেলাকে বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়ার গাবতলী ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে।

হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্ড পাবেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সুবিধাভোগী নির্বাচনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানা জরিপের তথ্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা ও লক্ষ্য

এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে প্রদান করা হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় এই কর্মসূচির আওতায় সহায়তার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে।

তথ্য সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া

কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এর ফলে সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও মধ্যস্থতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়ন করে সারা দেশে কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ করা হবে।

আবেদন করতে যা যা লাগবে

আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি। তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের নিচের কাগজপত্র সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে

১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর

আবেদন কোথায় করবেন

পাইলট প্রকল্প শেষ হলে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া ঘরে বসে দ্রুত আবেদন করার জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতির কথাও জানানো হয়েছে।

প্রতি পরিবারে একটি কার্ড ইস্যু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাবে।