/
/
তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি
তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published৩ মার্চ, ২০২৬
৪:২৪ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

heart disease

একসময় হৃদরোগকে বয়স্কদের সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে তরুণদের মধ্যেও এ রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। অনিয়মিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, মানসিক চাপ ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এর অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসকদের মতে, জীবনযাত্রায় ছোট ছোট পরিবর্তন আনলেই হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

ধূমপান বর্জনের আহ্বান

ধূমপান রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধূমপান ছাড়ার এক বছরের মধ্যেই হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে।

সুষম খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব

খাদ্যতালিকায় ফলমূল, শাকসবজি, মাছ, বাদাম ও শস্যজাতীয় খাবার রাখার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। অতিরিক্ত চিনি, লবণ, ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। মিষ্টি পানীয়র পরিবর্তে পর্যাপ্ত পানি পান করাও গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত শরীরচর্চা

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম, যেমন হাঁটা, সাঁতার বা সাইক্লিং করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন হালকা ওজন নিয়ে ব্যায়াম করাও উপকারী।

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ

দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ রক্তচাপ বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। প্রতিদিন কয়েক মিনিট গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, যোগব্যায়াম বা ধ্যান মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।

পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস ও ঘুমের আগে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

অ্যালকোহল পরিহার

অতিরিক্ত মদ্যপান উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে অ্যালকোহল সীমিত রাখা বা বর্জন করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, বুক ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিয়মিত রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা বড় ধরনের ঝুঁকি এড়াতে সহায়তা করতে পারে।

তাদের মতে, একসঙ্গে বড় পরিবর্তন না এনে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাই হৃদরোগ প্রতিরোধের কার্যকর উপায়।