/
/
/
নারী কমিশন গঠনে সমর্থন জানালেন আইনমন্ত্রী
নারী কমিশন গঠনে সমর্থন জানালেন আইনমন্ত্রী
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published১১ মার্চ, ২০২৬
৩:০৪ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Adv Md Asaduzzaman

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান নারী কমিশন গঠনের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, নারীর অধিকারসংক্রান্ত আইনগুলো নাগরিক সমাজের গবেষণাভিত্তিক সুপারিশের আলোকে আরও কার্যকর করা যেতে পারে।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, নারী, কন্যাশিশু ও জেন্ডার বৈচিত্র্যময় মানুষের ন্যায়বিচারপ্রাপ্তির পথে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নানা বাধা এখনো রয়ে গেছে, যা দ্রুত দূর করা প্রয়োজন। আইনমন্ত্রী বলেন, উগ্রবাদী শক্তির লক্ষ্যবস্তুতে ক্রমেই নারীরা পরিণত হচ্ছেন। তাই বিদ্যমান আইন পাশ কাটিয়ে নয়, বরং উত্তরাধিকার অধিকারের প্রশ্নে কার্যকর বিকল্প নিয়ে ভাবতে হবে।

ঢাকার বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘরে আয়োজিত এই সেমিনারে সরকার, দূতাবাস, উন্নয়ন সহযোগী, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও নারী অধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. দাউদ মিয়া।

এছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউএন উইমেন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিং, জাতিসংঘের বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার আইরিন খান এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) অনারারি নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

স্বাগত বক্তব্যে এমজেএফের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, দেশে নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি দৃশ্যমান হলেও নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় ন্যায়বিচারের অভাব এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি জানান, ধর্ষণ মামলায় দণ্ডের হার ১ শতাংশেরও কম এবং নারীর প্রতি সহিংসতা-সংক্রান্ত প্রায় ১০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমজেএফের কো-অর্ডিনেটর রুমা সুলতানা। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ মামলা নিতে অনাগ্রহী থাকে এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় নানা বিলম্ব ও সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন নারী অধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, ন্যায়বিচারের পথে বাধা আদালতে নয়, বরং আদালতে পৌঁছানোর আগেই শুরু হয়। তারা আইনি সহায়তা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমাপনী বক্তব্যে শাহীন আনাম বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষাসহ নারী-বান্ধব অধ্যাদেশগুলোকে স্থায়ী আইনে রূপ দিতে হবে এবং বৈষম্যমূলক বিধান দ্রুত সংশোধন করা প্রয়োজন।