/
/
আজ শেষ হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা
Byadminsr
Published
২:৪৩ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Book Fair

মাসজুড়ে চলা অমর একুশে বইমেলার পর্দা নামছে আজ রোববার। তবে এবারের মেলায় পাঠকের উপস্থিতি ও বই বিক্রি—দুটোই প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়ায় অনেক প্রকাশকই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যার আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টিতে আরও বিপাকে পড়েছেন অনেক প্রকাশক।

শুক্রবার রাত প্রায় ৮টার দিকে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মেলা প্রাঙ্গণের অনেক স্টলে পানি ঢুকে বই ভিজে যায়। বৃষ্টির পর মেলার ভেতরে কাদা জমে দর্শনার্থীদের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।

শনিবার মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, আগের রাতের বৃষ্টির ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ব্যস্ত স্টল কর্মীরা। ভিজে যাওয়া বই রোদে শুকানোর চেষ্টা করছেন অনেকেই। বড় স্টলগুলো তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ছোট প্রকাশনীগুলোর বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শিশুদের জন্য গবেষণাধর্মী, আনন্দদায়ক ও অ্যাক্টিভিটি বই প্রকাশ করে গুফু পাবলিকেশন। প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মীরা জানান, বৃষ্টিতে তাদের স্টলে থাকা প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বই ভিজে গেছে। আপাতত ভেজা বইগুলো প্লাস্টিকে মুড়ে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

সদর প্রকাশনীর স্টলেও অনেক বই ভিজে গেছে। স্টলের এক পাশে দর্শনার্থীরা বই দেখছেন, অন্য পাশে ভিজে যাওয়া বই শুকানোর চেষ্টা চলছে। বিক্রয়কর্মীরা বলেন, এ বছর এমনিতেই মেলায় পাঠকের উপস্থিতি কম ছিল, বিক্রিও আশানুরূপ হয়নি। তার ওপর হঠাৎ বৃষ্টিতে ক্ষতি আরও বেড়ে গেছে।

আদী প্রকাশনের স্টলে গিয়ে দেখা যায়, কর্মীরা ভেঙে যাওয়া স্টল মেরামত করছেন। প্রকাশনটির সহকারী ব্যবস্থাপক সুজন আহমেদ বলেন, “বৃষ্টির সময় আমাদের স্টলের সিলিং ভেঙে পড়ে। এতে দুই শতাধিক বই ভিজে গেছে। এগুলো আর বিক্রি করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।”

অন্যদিকে কথাপ্রকাশের বইমেলা ইনচার্জ মো. ইউনুস জানান, তাদের ক্ষতি তুলনামূলক কম হয়েছে। তিনি বলেন, “বৃষ্টি শুরু হওয়ার সময় আমরা স্টলে ছিলাম, তাই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পেরেছি। যদি বৃষ্টি আর একটু পরে হতো, তাহলে অনেক প্রকাশকই বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তেন।”

সব মিলিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে এবারের অমর একুশে বইমেলা।