/
/
/
নিরাপদ ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়তে তরুণদের নতুন উদ্যোগ
নিরাপদ ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়তে তরুণদের নতুন উদ্যোগ
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১:৫৩ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

WhatsApp-Image-2026-02-26-at-1

ঢাকার ব্যস্ততা আর দ্রুতগতির নগরজীবনের মাঝেও এমন কিছু আয়োজন থাকে, যা নীরবে সমাজকে বদলে দেওয়ার শক্তি রাখে। ঠিক তেমনই একটি উদ্যোগ “Empowered Youth: Safer Digital Spaces”। গত ২০-২২ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী এই কর্মশালার দ্বিতীয় ব্যাচ সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সুবর্ণ ভূমি ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই কর্মশালাটি বাস্তবায়িত হয়েছে অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি ল্যাবের সহযোগিতায়। এ আয়োজন কেবল প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণে সীমাবদ্ধ ছিল না বরং এর মূল ফোকাস ছিল ডিজিটাল জগতে তরুণদের মানসিক সুস্থতা, নিরাপত্তা এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা।

আজকের ডিজিটাল পরিবেশ কেবল তথ্যের আদান-প্রদান নয়; এটি আমাদের আবেগ, সম্পর্ক, পরিচয় এবং আত্মসম্মানবোধ পর্যন্ত প্রভাবিত করে। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা শিখেছেন কীভাবে একটি ভুয়া শিরোনাম, ঘৃণামূলক মন্তব্য বা সামাজিক তুলনার চাপ অল্প সময়েই একজন তরুণের মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে দিতে পারে।

কর্মশালার একটি বার্তা বারবার ফিরে এসেছে
ডিজিটাল সুস্থতা এবং মানসিক সুস্থতা একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
এড়িয়ে যাওয়া নয়, বরং সচেতন থাকা, থামা, যাচাই করা এবং সমালোচনামূলকভাবে ভাবা—এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ।

২৭ তরুণ নেতা—একসাথে, এক লক্ষ্যে

এই ব্যাচে অংশ নেন ২৭ জন তরুণ নেতা, যাদের মধ্যে আদিবাসী ও বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব ছিল। একটি নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার পরিবেশে তারা ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা এবং অনলাইন ঘৃণাবাচক বক্তব্য শনাক্ত ও মোকাবিলার কৌশল শিখেছে যার ফলে ফ্যাক্ট-চেকিং এবং দায়িত্বশীল ডিজিটাল সম্পৃক্ততার দক্ষতা উন্নত করবে বলে জানায় আয়োজনরা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শামীম ইমাম , সুবর্ণ ভূমি ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম পরিচালক মোহাম্মদ জাহেদ হাসান, এবং ফাইনান্স পরিচালক নন্দিনী ইমাম। তারা অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদ তুলে দেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

ড. শামীম ইমাম বলেন-
“বর্তমান প্রেক্ষাপটে এসব দক্ষতা খুবই প্রয়োজন । ক্ষমতায়িত তরুণদের শুধু নিজেদের অনলাইনে সুরক্ষিত রাখলেই চলবে না, বরং অন্যদের সচেতন করা এবং নিরাপদ ডিজিটাল চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্বও নিতে হবে।”

কর্মশালাটি শেষ হয়েছে সনদ বিতরণের মাধ্যমে। কিন্তু অংশগ্রহণকারীদের যাত্রা এখানেই থেমে নেই। আয়োজকদের বিশ্বাস, এই তরুণরাই ভবিষ্যতে অনলাইন ঘৃণা, ভুয়া তথ্য এবং ডিজিটাল সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা ছড়িয়ে দিয়ে নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল স্পেস গড়ে তুলবে।