/
/
ঈদে অসুস্থতা এড়াতে ৭ সহজ উপায়
ঈদে অসুস্থতা এড়াতে ৭ সহজ উপায়
Byলাল সবুজ প্রকাশ
Published১৯ মার্চ, ২০২৬
১:৫৮ অপরাহ্ণ
516646823_1181868137288453_5875725774706969096_n
লাল সবুজ প্রকাশ
বাংলাদেশের তারুণ্য নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন-ভিত্তিক মিডিয়া প্লাটফর্ম লাল সবুজ প্রকাশ। শিশু-কিশোর-তরুণদের চোখে অধিকার, জলবায়ু, সমতা, ন্যায্যতা ও সত্যের গল্পের খোঁজে গ্রাম থেকে শহর, পাহাড় থেকে চরের কথা তুলে ধরি আমরা। তুলে ধরি তাদের সৃজনশীলতা, ছড়াই সচেতনতার বার্তা।

কনটেন্টটি শেয়ার করো

Copied!

সর্বশেষ

Eid

ঈদের আনন্দ মানেই হরেক পদের মুখরোচক খাবার। সেমাই, পায়েস থেকে শুরু করে বিরিয়ানি, কোরমা কিংবা চটপটি-ফুচকা, সবই থাকে খাদ্যতালিকায়। তবে উৎসবের এই সময়ে অনিয়ন্ত্রিত খাবার গ্রহণের ফলে পেটের সমস্যা, গ্যাস্ট্রিক বা বদহজমের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। এবারের ঈদে ভোজনরসিকরা কীভাবে সুস্থ থেকে উৎসব উপভোগ করবেন, তার কিছু জরুরি স্বাস্থ্য টিপস নিচে তুলে ধরা হলো:

১. সকালের শুরুটা হোক হালকা খাবারে
ঈদের সকালে অতিরিক্ত মিষ্টি বা তৈলাক্ত খাবার দিয়ে দিন শুরু না করাই ভালো। অল্প পরিমাণে সেমাই বা পায়েস খেয়ে শুরু করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন যেন চিনি বা দুধের পরিমাণ খুব বেশি না হয়।
২. পর্যাপ্ত পানি পানের বিকল্প নেই
ঈদের দিন ব্যস্ততায় অনেকেই পানি খেতে ভুলে যান। কিন্তু গরমে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা রোধ করতে সারা দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। খাবার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে বা পরে পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়।
৩. ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার সীমিত করুন
ঈদের দাওয়াতে সাধারণত রিচ ফুড বা অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার থাকে। এগুলো একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে খান। বিশেষ করে ডুবো তেলে ভাজা খাবার যেমন সিঙ্গারা, সমুচা বা বেগুনি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
৪. লাল মাংস (Red Meat) গ্রহণে সতর্কতা
কোরবানির ঈদে বা সাধারণ দাওয়াতে গরুর মাংসের আধিক্য থাকে। উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে চর্বিযুক্ত মাংস এড়িয়ে চলাই মঙ্গল। মাংস ভালোভাবে সেদ্ধ করে এবং অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে খাওয়া উচিত।
৫. সালাদ ও টক দই যুক্ত করুন
ভারী খাবারের সাথে প্রচুর পরিমাণে শসা, টমেটো বা গাজরের সালাদ রাখুন। খাবারের শেষে এক বাটি টক দই খেতে পারেন, যা হজমে দারুণ সহায়তা করে। এটি পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া কমাতেও কার্যকর।
৬. একবারে বেশি না খাওয়া
অনেকেই ঈদের খুশিতে একসাথে অনেক বেশি খেয়ে ফেলেন, যা ঠিক নয়। পেটে কিছুটা জায়গা রেখে খাওয়া ভালো। প্রয়োজনে অল্প বিরতি দিয়ে বারবার খান।
৭. কোমল পানীয় ও চিনির আধিক্য
খাবার হজমের আশায় অতিরিক্ত কোল্ড ড্রিংকস বা কোমল পানীয় খাবেন না। এতে উল্টো গ্যাসের সমস্যা বাড়তে পারে। এর বদলে লেবুর শরবত বা ডাবের পানি বেশি উপকারি।

সুস্থ দেহ আর সতেজ মন নিয়েই ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পায়। তাই খাবার গ্রহণে সচেতন থাকুন এবং সুস্থভাবে প্রিয়জনদের সাথে ঈদ উদযাপন করুন।